খোজা

হিসেব রক্ষকের সাথে এক সন্ধ্যা কাটিয়েছিলাম আমি
সে আমায় জানিয়েছে ছকের ভেতরে ধুন্ধুমার গোল্লাছুট
কোন লস নেই। কোন লস নেই।
ছকের ভেতর। গোল্লাছুটে।

ছন্দের এক জাদুকর পেয়েছিলাম একদা
সে আমায় দেখিয়েছে কি করে অন্ত্যমিলে
অমরতা পায় কাব্য।
স্বর্গ বলতেই আমি বললাম মর্গ
সে আমায় নাকচ করে দিল চিরতরে।

জংশন স্টেশনে পাগল পাবে। পাবেই।
সে হাসবে গাইবে কথা বলবে চোস্ত শুদ্ধ বাংলায়!
সে তোমায় জানাবে সমাজ সামাজিকতা ধর্ম অবক্ষয়
সে তোমায় জানাবে কোন পথে চলে গেছে সোনালী সময়
তুমি নিজেকে পাবে ডাঙায় তোলা মাছেদের আসরে!
ইনহেলার নাওনি যদিও কখনো, পকেট হাতরে তা-ই খুঁজবে!

আমাকে কোথায় নিয়ে যাবে? কোথায়?
যেখানে খুশি নিয়া যাও! কি ফারাক পড়ে!
আমি তো সব দেক্ষাইলছি!
এইতা সব বালের কাহিনি!
কোন বেজন্মা কবে রাজা সাজছিল
কোন বেশ্যা কবে মানুষের সেবা কইরা স্বর্গ লভিছে
এইতা আমার চেটের কথা, কথকতা!

ফুসফুস নির্লজ্জের মত হাত পেতে দাঁড়িয়ে থাকে
শ্বাস নেবে বলে।
আমি আকাশের দিকে তাকাই।
নর্মান্ডির আকাশে সেইন্ট মার্টিন ফিরে আসে
সাহারার আকাশে ফিরে আসে নড়াইল!
বিষন্ন আকাশ আমার!
লজ্জার আবরণে নিজেরে ঢাকে!
আহা আকাশ! আহা ঢাকা!
তোমাকে বেঁচে দিয়েছি বেনিয়া দস্যুদের হাতে!

অবসরে যাবো।
আর কিছু দেখার নেই।
আমি দেখেছি কসাইয়ের শিল্প
সে তোমাদের আসরে সর্বোচ্চ আসনে আসীন ছিল।
দেখেছি বেশ্যার দালাল
সে তোমাদের জন্য এনেছে স্বর্গীয় সুখ
তোমরা তা-ই নিয়েছো অস্তিত্ব পেতে।

নারীদের চোখের দিকে তাকিয়ে
হাবিয়ায় নেমে গেছি সেচ্ছায়।

শিশুর মুখ জাগে তলিয়ে যাওয়ার আগে।
বেঁচে থাকতে সাধ জাগে আমার পূনর্বার।

৩০/০৭/২০১৯
ঢাকা।